Hindusthan Samachar
Banner 2 गुरुवार, मार्च 21, 2019 | समय 04:41 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

দুঃস্বপ্ন এখনও তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের

By HindusthanSamachar | Publish Date: Mar 17 2019 12:47PM
দুঃস্বপ্ন এখনও তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের
ঢাকা ১৭ মার্চ (হি.স.) : দুঃস্বপ্ন এখনও তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে মাহমুদুল্লাহ-তামিম-মুশফিকদের। শিউরে উঠছেন যদি পাঁচ মিনিট আগে আল নূর মসজিদে পৌঁছতেন কী হতো, এই ভেবে ! মৃত্যুকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে দেখে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল শনিবার রাত সাড়ে দশটার নাগাদ ঢাকা ফিরেছেন। ২২ ঘন্টার ভ্রমণে আগে এমন ক্লান্তি আগে বোধ করেননি কেউ, কিন্তু এবার ক্লান্ত নয়, বিপর্যস্ত দেখাল সবাইকে। বিমানবন্দরে এবারে সংবাদ মাধ্যমের ভিড় ছিল অকল্পনীয়। তখনই যেন সব অভিজ্ঞতা উগড়ে দিতে চান তারা। সেই মসজিদে বাস পৌঁছার পর হৈচৈ শুনে জানালা খুলে দেখা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকা লাশ, রক্ত, আর্তনাদ কীভাবে বর্ণনা করবেন তারা! শারীরিক ক্লান্তির চাইতেও মানসিক আঘাতটাই যেন বড়। ছবির মতো ভাসছে সেই আল নূর মসজিদ। এক মহিলা যেন দেবদূতের মতোই তাদের সামনে এসে দাঁড়ালেন, ভেতরে যেয়ো না কেউ, গোলাগুলি চলছে। তামিম-মুশফিক সবাই সেই মহিলার কথাই বললেন বারবার। তামিম বললেন, কিছুই বলতে পারব না। পরিবারের কাছে ফিরতে চাই আগে। মুমিনুল বললেন, আমরা বাসের জানালা খুলে লাশ, রক্ত দেখে বিহ্বল হয়ে পড়েছিলাম। এই দৃশ্য বর্ণনা করার মত ভাষা আমার নেই। ভীত হয়ে কাঁপছিলাম আমরা। পরম করুণাময়ের অশেষ রহমত যে, আমরা পাঁচ মিনিট পরে পৌঁছিয়েছি। আমরা আরও ভাগ্যবান যে, সাংবাদিক সম্মেলন শেষ হতে দেরি হয়েছিল। তবে মুশফিক বললেন, এই ঘটনার পরও বলবো, নিউজিল্যান্ড এখনও বিশ্বের সেরা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমরা এখন নিউজিল্যান্ডে গিয়ে খেলতে ভালোবাসি। আমরা সবাই খুশি যে, আমরা বেঁচে আছি। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বললেন, আপনাদের সবার দোয়া ছিল বলে আমরা সবাই জীবিত ফিরতে পেরেছি। আমাদের মনের ভেতর কী হচ্ছে, সেটা বোঝানোর সাধ্যি নেই। আমরা রাতে ঘুমাতে পারিনি। বারবার মনে হচ্ছিল, ভাগ্য আমাদের কতটা সহযোগিতা করেছে। সবার কাছে দোয়া চাই, আমরা যেন এই মানসিক অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে পারি। সাংবাদিকরা এরপরও পীড়াপীড়ি করছিলেন। কিন্তু আর সাংবাদিকদের এগুতে দিলেন না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সাংসদ নাজমুল হাসান পাপন। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে সামলে ওঠাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু লম্বা ভ্রমণ নয়, মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তারা। ওদের বলেছি, বাসায় যাও। সবকিছু বাদ দিয়ে ঠান্ডা মাথায় নিজেদের মতো করে যেভাবে ভাল লাগবে সেভাবে ব্যস্ত থাকো। সবকিছু ঠিকঠাক হলে তবে আমরা বসব। খেলা নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো ভাবনা নেই। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোই বড় কথা। বাংলাদেশ দল যে নিউজিল্যান্ডে গিয়েছিল এবং যে নিউজিল্যান্ড থেকে ফিরে আসছে, দুয়ের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান হয়ে গেছে, নয় কি ? এমন প্রশ্ন ছিল এক সাংবাদিকের। কিন্তু কোনো জবাব মেলেনি কারো কাছ থেকে। হিন্দুস্থান সমাচার/বাসুদেব/
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image