Hindusthan Samachar
Banner 2 गुरुवार, दिसम्बर 13, 2018 | समय 03:30 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

বি‌ক্রিত জ‌মির দ‌লি‌লে তিন দশক আগে মৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর, চাঞ্চল্য

By HindusthanSamachar | Publish Date: Dec 8 2018 10:11PM
বি‌ক্রিত জ‌মির দ‌লি‌লে তিন দশক আগে মৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর, চাঞ্চল্য
চোরাইবাড়ি (ত্রিপুরা), ৮ ডিসেম্বর, (হি.স.) : তিনি গত হয়েছেন প্রায় তিন দশক আগে। অথচ সম্প্রতি একটি বিক্রিত জমিতে সেই ব্যক্তির স্বাক্ষর! কী করে সম্ভব? ঘটনাকে কেন্দ্র ক‌রে উত্তর ‌ত্রিপুরার চোরাইবা‌ড়ি থানা এলাকার প্রেমতলা গ্রা‌মে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাপ্ত খবরে প্রকাশ, ১৯৮৭ সালে মৃত ব্যক্তি ২০১৭ সালে নি‌জের না‌মের ১৬ ছটাক জি‌মি বি‌ক্রি করেছেন। দলিলে রয়েছে মৃত ব্যক্তির টিপসই। ঘটনা ফাঁস হলে তার স‌ঠিক জবাব দিতে গিয়ে তহ‌শিল অফিস-সহ প্রশাস‌নের রা‌তের ঘুম উবে যাবার উপক্রম। এদি‌কে তহশিলদার সন্তোষ চাকমা জানান, বিতর্কিত জ‌মির মা‌লিক সশ‌রী‌রে তহশিলে উপ‌স্থিত হ‌য়ে তাঁর সামনেই নাকি প্র‌তি‌টি দ‌লি‌লে স্বাক্ষর করেছেন! ঘটনা সম্পর্কে এলাকার অন্য এক সূত্রের দাবি, মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দে‌খি‌য়ে জাল সই দিয়ে দলিল তৈরি করে ভূমা‌ফিয়া সি‌ন্ডি‌কেট এই কাণ্ড ঘ‌টি‌য়ে‌ছে। বির্ত‌কিত তহশিল মৌজার ৯৩০ নম্বর খতিয়ানের ১৩৬ নম্বর দাগে ১০৭ ছটাক জমির মালিক প্রয়াত সিদ্দেক আলি। তাঁর বাবা আরজান আলি। সি‌দ্দেক আলি গত ১৯৮৭ সালে মারা গেছেন। তার ডেথ সার্টিফিকেটও রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, এই সিদ্দেক আলি প্রায় তিন দশক পর আবার কীভাবে জীবিত হলেন? অনেকেই এ ঘটনায় তাজ্জব হয়ে গেছেন। কিন্তু সাবরেজিস্ট্রারে দলিল নামজারির রিপোর্ট এবং নামজারির নোটিশে দেখা গেছে মৃত সিদ্দেক আলি চার ব্যক্তির কাছে তাঁর ১৬ ছটাক জমি বিক্রি করেছেন। এ সব দলিলেও তাঁর টিপসই রয়েছে। ‌তি‌নি না‌কি পর্যায়ক্র‌মে শরিফ উদ্দিন, রফিক উদ্দিন আবু বক্কর, আবুল হোসেন এবং অপর এক ব্যক্তির কাছে জমি বিক্রি করেছেন। কিন্তু সিদ্দেক আলির নাতি লাল মিয়াঁর অভিযোগ, এই চার ব্যক্তি তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে সম্পূর্ণ জালিয়াতি করে ভুয়ো দলিল তৈরি করে জমি দখল করেছেন। তিনি ঘটনার উপযুক্ত তদন্তের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছে নথিপত্র-সহ অভিযোগনামা পাঠিয়েছেন। সিদ্দেক আলির ছেলে ও নাতির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, দলিল ও আনুষঙ্গিত কাগজপত্র সম্পূর্ণ জাল। এতে মৃত ব্যক্তির জীবিত হয়ে ওঠা নিয়ে যে রহ‌স্যের দানা বেঁধেছে তা ধী‌রে ধী‌রে প্রকাশ হচ্ছে। ত‌বে নামজারির নোটিশ, নামজারির রিপোর্ট, জায়গার দলিল এবং অন্যান্য কাগজপত্রে তহশিলদার সাবরেজিস্ট্রার, ক‌পিরাইটার, রেভিনিউ ইনস্পেক্টরের স্বাক্ষর রয়েছে, এগুলো কীভাবে হলো? বিষয়টি সম্পর্কে শ‌নিবার চোরাইবাড়ি তহশিল মৌজার তহশিলদারের কাছে জান‌তে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তহশিলদার সন্তোষ চাকমা কোনও সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে কেঁ‌টে পড়েন। প‌রে বিষয়টি জানার জন্য মহকুমাশাসক সুব্রতকুমার দাসের কাছে গেলে তি‌নি নথিপত্রগুলি দেখে সঙ্গে-সঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। হিন্দুস্থান সমাচার / অমল / এসকেডি
image