Hindusthan Samachar
Banner 2 सोमवार, नवम्बर 19, 2018 | समय 00:33 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

বাংলায় আইনের শাসন নেই, আসানসোলে সরব বিজেপির মুখ্য সচেতক শাহনাওয়াজ হোসেন

By HindusthanSamachar | Publish Date: Nov 10 2018 9:39PM
বাংলায় আইনের শাসন নেই, আসানসোলে সরব বিজেপির মুখ্য সচেতক শাহনাওয়াজ হোসেন
আসানসোল, ১০ নভেম্বর(হি.স.): বাংলায় আইনের শাসন নেই, আছে দিদির রাজ। দিদি বা তৃণমূল যা বলবে তাই হবে ৷ তৃণমূলের ম্যানিফ্যাস্টো বাংলার আইনে পরিণত হয়েছে ৷ শনিবার আসানসোলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জীর কঠোর সমালোচনায় করেন বিজেপির মুখ্য সচেতক শাহনাওয়াজ হোসেন। শনিবার এক ব্যক্তিগত কাজে কলকাতা থেকে দুমকা যাওয়ার পথে আসানসোলে এক সাংবাদিক বৈঠক করেন বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও দলের মুখ্য সচেতক শাহনাজ হোসেন৷ তিনি বলেন , আগামী ডিসেম্বর রাজ্যে তিন জায়গা থেকে রথ যাত্রা বের হবে ৷ রথ রাজ্যের প্রতিটি লোকসভা ও বিধানসভা এলাকা ছুঁয়ে যাবে ৷ নোট বন্দির ২ বছর পূর্তিতে সফল যোজনা হিসাবে দাবি সহ ,রাজস্থান , ছত্তিশগড়ে ও এমপিতে বিজেপির সাফল্য ও জয় সুনিশ্চিত বলে দাবি করেন তিনি ৷ বাংলার জনমানসের মনেও রয়েছে বিজেপি বলে দাবি করেন তিনি ৷ বিজেপিকে দমানো যাবে না। বিজেপির হাতিয়ার সবকা সাথ সবকা বিকাশ। তবে মোদি সরকারের একগুচ্ছ উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরলেন কিন্তু স্থানীয় ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই হোঁচট খেলেন বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র। মোদি সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া দুটি রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানার প্রসঙ্গ উঠতেই এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেন শাহনওয়াজ হোসেন। স্থানীয় সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় কেন্দ্রের ভারীশিল্প দফতরের মন্ত্রী থাকাকালীন ঝাঁপ পড়ে গেছে হিন্দুস্থান কেবলস ও বার্নস্ট্যান্ডার্ড বার্নপুর ইউনিটের। সেই প্রসঙ্গে তিনি প্রথমে বলেন কারখানা দুটিকে কীকরে রুগ্নদশা কাটানো যায় সে নিয়ে চর্চা হবে মন্ত্রকে। তারপর যখন জানতে পারেন কারখানা দুটি বন্ধ হয়ে গেছে তখন তিনি বলেন কংগ্রেস ভুল শিল্পনীতির কারণে রাষ্ট্রায়ত্ব কারখানা দুটি বন্ধ হয়েছে। আসানসোলে বসে লোকাল ইস্যুকে দূরে সরিয়ে রেখে দেশজোড়া উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরেন তিনি। এদিনই একটি সমীক্ষায় প্রকাশ হয়েছে রাজস্থান মধ্যপ্রদেশ ও ছত্রিশগড়ে বিজেপির আসন কমবে, কংগ্রেসের আসন বাড়বে। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন," আগামী বিধানসভা নির্বাচনে সবগুলোতেই আমরা জয় পাব। টিকিট বিলির আগেই ওই সমীক্ষার কোনও মূল্য নেই। গতবারের লড়াইয়ের সময় ছিল ৪ কোটি বিজেপির সদস্য। এবার আমরা ১৯ রাজ্যে শাসন করা দল। ১০ কোটি সদস্যের দলের সঙ্গে লড়তে হবে বিরোধীদের। আমরা ত্রিপুরায় মানিক সরকারের সরকারকে সরিয়ে দিয়েছে, দিদিকে সরাতেও আমাদের বেশী বলপ্রয়োগ করতে হবে না। শ্যামাপ্রসাদের রাজ্যে ক্ষমতা দখল করতে পারলেই আমাদের স্বপ্নপূরণ হবে।" তার সঙ্গে তিনি রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমন শানান। এদিন তিনি বলেন," বাংলায় আইনের শাসন নেই, আছে দিদির রাজ। দিদি বা তৃণমূল যা বলবে তাই হবে ৷ তৃণমূলের ম্যানিফ্যাস্টো বাংলার আইনে পরিণত হয়েছে ৷ রাজ্যে বিজেপি করলেই মিথ্যে মামলা দেওয়া হচ্ছে। সভার জন্য অনুমতি মিলছে না। তিনি জানান, আগামী মাসে ৫ তারিখ, ৭ তারিখ এবং ৯ তারিখ এ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিজেপির রথ যাত্রা বেরোবে। ৫ তারিখে তারাপীঠ, ৭ তারিখে কুচবিহার এবং ৯ তারিখে গঙ্গাসাগর থেকে বেরোবে রথযাত্রা। গোটা রাজ্যের সমস্ত বিধানসভা ছুঁয়ে যাবে এই রথযাত্রা। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ আাসানসোল থেকে নাকি ভোটে দাঁড়াতে পারেন। এরকম একটা কথা শোনা যাচ্ছে। সেই প্রসঙ্গে শাহনওয়াজ হোসেন কৌশলি উত্তর দিয়ে বলেন," ভারতীয় জনতা পার্টিতে ব্যক্তি ধরে ভোট হয় না প্রতীক ধরে হয়। কমল বা পদ্মছাপে যেই দাঁড়াবেন মানুষ তাঁকেই ভোট দেবেন।" তিনি আসানসোলের সাংসদের ভূয়ষী প্রশংসা করে দাবি করেন," এখানে বাবুল সুপ্রিয় ভালো কাজ করছেন। সাংসদ হিসাবে তিনি বেশ জনপ্রিয়।" হিন্দুস্থান সমাচার/জয়দেব/ সঞ্জয়
image